কবি আরিফুল ইসলাম এর তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ প্রি-অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন

কবিতা

;

প্রণব মজুমদার এর কবিতা

অন্তরীক্ষে প্রজাপতি &nb p; অন্তরীক্ষে উড়ে যায় মনের প্রজাপতি ডানা মেলে আনন্দে বেড়ে যায় গতি লোকালয়ে নেই সুখ সংসারে হিংসা দুখ বেদনায় অসুখের বাসা অসামান্য ক্ষতি &nb p; &nb p;হে অন্তরীক্ষ দাও আলো তুমিই বড় শক্তিমান বেঁচে থাকার প্রেরণা তুমি..

আরও পড়ুন
;

ইউসুফ আহমেদ শুভ্র এর কবিতা

আমার বন্ধু হরিপদ&nb p; &nb p;আমি আর হরিপদ বন্ধু ছিলামতোমাদের এই যুগের বন্ধুদের মতো নাআমরা ছিলাম জন্ম জন্মান্তরের বন্ধুগলায় গলায় আমাদের&nb p; ভাব ছিলো!আমরা পোড়াবাড়িতে গিয়ে বাংলামদ গিলতামআমরা দুইজন দুইজনরে গালাগাল দিতামগালাগালি শেষে গলাগলি করে ঘুমাতাম আমরা!আমি তখন হাইস্কুলের কেরানি&nb p;আর হরিপদ মরা প..

আরও পড়ুন
;

সালাহ উদ্দিন মাহমুদের একহালি কবিতা

&nb p; &nb p; তুমি এবং যাবতীয় পার্থক্য &nb p; বই আর তোমার মধ্যে তেমন পার্থক্য দেখি না যতই পড়ি গভীরে তলিয়ে যাই। &nb p; মদ আর তোমার মধ্যে তেমন পার্থক্য দেখি না যতই পান করি মাতাল হয়ে যাই। &nb p; ফুল আর তোমার মধ্যে তেমন পার্থক্য দেখি না যতই কাছে যাই সুব..

আরও পড়ুন
;

শামীম আজাদ এর কবিতা

অন্য অংগারজোৎস্নার জল গায়ে দিয়ে দেখো, সক্রেটিস হয়ে যাবে আর ভেজা গায়ে মনেস্টারিকি পেরুতে পেরুতে পাতলা হাওয়ার সাথে সাদা আইয়োক্লিমা ফুলের ধাক্কা লাগলে দেখবে সামনের হেইড্রিয়ান লাইব্রেরীর সব পুরানো পাথর সরে গিয়ে কমলালেবুর বাগান উথ্‌লে উঠেছে। তখন তোমার সব পুরানো প্রেম প্রতিদ্বন্দীদের ক্ষমা..

আরও পড়ুন
;

নজির আহমেদ এর একগুচ্ছ অনুকবিতা

বভাবমুনাফেক দোষ খুঁজে বেড়ায়,ঈমানদার ক্ষমা।পাঠক মূলভাব খুঁজে বেড়ায়,চানৈক্য দাঁড়ি-কমা।দহনঠোঁটে কালবৈশাখী,&nb p;অলিগলিতে পতপত উড়ছে মাদক সুগন্ধ।শিরায় শিরায় বসন্ত,&nb p;রাজপথ কাঁপছে,প্রবেশে বাধা,কপাট বন্ধ।&nb p;বসততোমারো বিরহে প্রতিদিন-রাতঢালি কত দীর্ঘশ্বাস।কাছে থাকো অথবা দূরে'ই থাকোহৃদয়ে করিও বাস।বার্তা..

আরও পড়ুন
;

শিহাব শাহরিয়ার এর কবিতা

অদৃশ্যগুচ্ছ ১ খড়ের রঙ তাড়া করে বিকেল বাজপাখির পাখায় জড়িয়ে থাকে শিকারির হাত ২ চর্যার বালিকার নাকফুল ঝুলে থাকে মধ্যরাতের টেবিলে এরপর ফুল্লরার ঘুম ৩ আত্মহত্যার আঙুল ভেঙে গেলে নদী-ঢালে নির্মিত রোদেরা বন্দি হয় হ্যান্ডসেটে ৪ তোমার চতুর চো..

আরও পড়ুন
;

কবিতাগুচ্ছ ।। কিয়াস আহমেদ

চিহ্ন এখানে আর তোমার কোনো চিহ্ন নেই, সব মুছে গেছে প্রায় একেবারেই ! একথা আমার বন্ধুরাও স্বীকার করে একবাক্যে আর যারা প্রেমর কবিতা লেখে তারাও এখন আমি মরে গেলেই তোমার সব চিহ্ন শেষ। তুমিই তো ওদের বলেছিলে 'আমি তোমার কপালের টিপ'।সেক্স আমরা লুকিয়ে সেক্স করে ছিলাম, সেক্স তো লুকিয়েই করার জিনিস। চন্দ্র - স..

আরও পড়ুন
;

দীর্ঘ গুচ্ছকবিতা ।। মোহাম্মদ রকিবুল হাসান

ফটোগ্রাফার একটা ছবি তুলে দাও ফটোগ্রাফার এমন একটা ছবি, যেটা আগে কেউ দেখেনি ছবির মানে বদলায় না, অবজেক্টিভ একটা ছবি তুলে দাওনা ফটোগ্রাফার একটা ছবি তুলে দাও এমন একটা ছবি, যেখানে বাজিমাতের কোনো হিসেব নেই, নেই কোনো সহমরণের তীর্থ অর্থ বদলায় না ক্ষনে ক্ষনে ; কোনো খেলা নেই, শুধু আলো ছায়া ছাড়া কোনো জুয়ারী..

আরও পড়ুন
;

ফারহানা রহমান এর কবিতাগুচ্ছ

&nb p; &nb p;চিরবিভ্রান্তির পথে &nb p; &nb p; মুক্তি কথাটি তো বিপদজনক খুব গোপনে নির্জনে ধুন তোলে বেওয়ারিশ অভিমানে আহা নার্সিসাস পুড়ে মরো শুধু নিজের আগুনে আলোর স্ফুলিঙ্গে ঝলক উঠলে শিকড় ছড়ানো দীর্ঘ প্রতিসরণের পর অচেনা রেখার টানে হেঁটে যাও চিরবিভ্রান্তির পথে হে পথ..

আরও পড়ুন
;

আবদুল হাসিব এর কবিতা

নির্বাক ঝাঁঝরা বাংলাদেশ &nb p; &nb p; জলদগম্ভীর কন্ঠে পিতার উচ্চারণ ছিলো তোমরা কে ওখানে! কী চাই মীরজাফরের বংশধরেরা কেউ কথা বলেনি। &nb p; রাত্রির স্তব্ধতা ভেঙ্গে নিষ্ঠুর গর্জনে গর্জে উঠলো স্টেনগান আর মেশিন গানের অভিশ্রান্ত গুলি মুহূর্তেই ভালোবাসাভরা বাংলার বিশাল বুকখ..

আরও পড়ুন
;

হারুনুর রশিদ এর কবিতাগুচ্ছ

বসন্ত সে তুমি কোকিলের কন্ঠে সুরের সুধায় - কোন ষোড়শী মেয়ের হৃদয়াঙ্গম।। ভোর কেটে যাওয়া প্রথম রোদে পাখামেলে প্রেমুময় ঘুঘুর সরাজ ডাক।। আমার নিসঙ্গতা দেখতে দেখতে ওরা দুঃখ করে, দুঃখ করে আমার বসন্তবৈরির ত্রিশটা চক্র দেখে।।করুনাহীনার একদিন&nb p; আমার অনুভূতি কাতরতায় তুমি ছিলে রুক্ষ।। আমি সেদিন নিশাখোরের..

আরও পড়ুন
;

শফিক সেলিম এর কবিতা

বঙ্গবন্ধুর ছবি তিন পাশে তিনটা ঘর টিনের চারচালা বারান্দাওয়ালা ঘর আর এক পাশে মানে পুব পাশে রান্না ঘর, দোচালা যদিও সেখানে কেউ থাকে না কিছু টিকটিকি আরশোলা ইদুর ছাড়া দুইটা বেড়ালও থাকে মাঝে মাঝে তিনটা ঘরেই বড়ো করে শেখ মুজিবের ছবি টাংগানো দক্ষিণ পাশের বেড়ার উপর ঘুমুতে গেলেই মা বলতেন- না বাবা, ও দিকে..

আরও পড়ুন
;

বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত কবিতা || জিললুর রহমান

মধ্য আগস্টের লাল চাঁদে কালো রক্ত মধ্য আগস্টের লাল চাঁদে কালো রক্ত জমাট বেঁধেছে টুপটুপ রক্তের ম্লান ফোঁটা কখনও সখনও ঝরে পড়ে অসাম্প্রদায়িকতা এবং বাঙালির দীপ্র জাতীয়তা কখনও ঝরেছে পড়ে ন্যায়- বিচারের কিছু ছিটেফোঁটা। মধ্য আগস্টের লাল চাঁদে জমাটি রক্তের বুকে হিম সুগভীর ষড় নৃশংসতা মানবিক..

আরও পড়ুন
;

অরণ্য আপন এর কবিতা

মহানায়ক তোমাকে ভোলা যায় না কখনো হে অমর প্রাণ বাংলার ফসল থেকে উঠে আসে তোমার ঘ্রাণ অনেক দিন হয়ে গেল, তুমি চলে গেছ পৃথিবী থেকে রাত তো থেমে গেছে, দিন গেছে অশুভ মেঘে ঢেকে তুমি চলে গেছ, তারপর এ বাংলার জীবন মাঠে মাঠে ঘাস হয়ে আছে পুরে তোমার কন্ঠ থামে না, বেজে চলে আকাশ থেকে আকাশের দূরে তোমাকে কেউ ভোলেনি,..

আরও পড়ুন
;

দীর্ঘ অক্ষমতা মার্জনা করো || আনোয়ার কামাল

প্রথমেই পিতা আমার কনিষ্ঠ আঙুল ধরে দাঁড় করালেন আমার মেরুদণ্ডের কশেরুকা ধীরে ধীরে পোক্ত হতে থাকলো অতঃপর আমি সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে পিতার পিছু পিছু হাঁটা শিখলাম। পিতা তুমি আমাকে দাঁড়াতে শেখালে, হাঁটা শেখালে আর মাথা উঁচু করে আকাশ স্পর্শ করার সাহস যোগালে! আমি দ্রুত সবই রপ্ত করলাম--- তোমার অনুসৃত পথে আমার হাঁট..

আরও পড়ুন
;

আনিসুল হক এর কবিতা

৩২ নম্বর মেঘের ওপারে আকাশের ওপারে আকাশ, তার ওপরে মেঘ, মেঘের মধ্যে বাড়ি— ৩২ নম্বর মেঘমহল। ৩২ নম্বরের বারান্দায় দাঁড়িয়ে আপনি। আপনার গায়ে ধবধবে সাদা পাঞ্জাবি, চোখে কালো মোটা ফ্রেমের চশমা, হাতে পাইপ। ছাদের কিনারে সানশেডে উড়ছে কবুতরগুলো। উঠানে সাইকেল-রিকশা চালাচ্ছে লাল সোয়েটার পরা রাসেল। পানের ডিব্বা ন..

আরও পড়ুন
;

কুমার দীপ-এর কবিতাগুচ্ছ

&nb p; &nb p; এই অনাত্ম সংসারে &nb p; এই অনাত্ম সংসারে- এক হাতে ক্রুশবিদ্ধ হয়ে অন্য হাতে গোলাপ ফোটানোর সাধনা তার নাম- কবিতা-জীবন &nb p; প্রতিহিংসার শরশয্যায় রক্তাক্ত হয়েও ভীষ্মের মতো অহিংসার কপোত ওড়ানোর চেষ্টা তার নাম- সাহিত্য-সাধনা। &nb p; এই অনাত্ম..

আরও পড়ুন
;

ওয়াহিদ জালাল এর কবিতাগুচ্ছ

তুই কি আমাকে চিনিস তোর বাড়ির দলিল আমার পকেটে, নিজ বাড়ি থেকে উচ্ছেদ তুই আমি করি জমিদারি, আমার পাপের টাকা আকাশ ছুয়েছে, তুই কোন বাপের কাছে যাবি যা, আমার কোন বালটা ফালাবি, তুই কি আমাকে চিনিস!! যৌবন টলমল নারী কিংবা সাত বছরের শিশু বুঝিনা, আমার রক্ত পিপাসু লিঙ্গ বন্য ধর্ষনে পারঙ্গম। আমি সেই মাগির দালাল যে..

আরও পড়ুন
;

শামীম আহমদ এর কবিতাগুচ্ছ

দিকভ্রান্ত পথিক বৃষ্টিভেজা কোলাহলে নদীঘাট মিছিল দিয়ে উঠলো , খই ফুটার মতো ! গেলো সন্ধ্যায় সূর্যকে চেটেপুটে খেয়েছিলো মেঘ ! তারপর মেঘের জরায়ু ভেঙে চাঁদফুল ঝরছে অবিরাম , এ যেনো জল-জোছনার সন্তান এ যেনো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র হীরের নুড়ি পথিকের পায়ের তলায় পড়ে ভাঙছে কড়মড় শব্দে জুতা আর পায়ে মিলে ঝপাঝপ ;ক্র..

আরও পড়ুন
;

মানিক বৈরাগীর চারটি কবিতা

আমি তুমি সেমন চেয়েছিল বলি, দাঁড়াও যেও না, ডাক দিতে কোথাও বাঁধলো, তাই ডাকিনি, ভয় পেয়েছি তোমার কোকিলা চোখতুমিও হন হন করে গিয়েছ চলে, পাশ ফেরোনিজানি জানি খুব জানি, তোমার সাজানো শোভাঘরেখুব চিল্লাচিল্লি হয়, আশপাশ পাড়ায় চায়ের দোকান আর সেলুনে যুবাদের আড্ডায় কথা আর গল্প ফুরিয়ে গেলে তোমরাই বিষয় পাড়ার বখাটেরা..

আরও পড়ুন

সাবস্ক্রাইব করুন! মেইল দ্বারা নিউজ আপডেট পান