কবি আরিফুল ইসলাম এর তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ প্রি-অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন
শিখা বিহীন আলো - রতন বাঙালি
$post->title

ফকির কফিলউদ্দিন। চলেন ইন্দ্রিয় অনুভূত দৃষ্টিতে।

নাম কফিলউদ্দিন হলেও ফকির কফিলউদ্দিনেই সে বেশি তুষ্ট! গিয়েছিলেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধির কাছে। প্রচলিত অর্থে সামাজিক সমস্যার বাইরে সেও তো নয়; তাই আর্জি জানাতেলন।

আর্জি রাষ্ট্রের কছে! তার ভাবনায় রাষ্ট্রের কাছে অর্থে মেম্বার, চেয়ারম্যান, গ্রাম্য মাতুব্বর-নেতা -সবাই রাষ্ট্রের লোক। অসহায়ের হাতে সহায়বাণী হলেও কিছু একটা চাই! শুনেছেন দেশে কত কিছু হয়েছে। আরও উন্নত হবে।

নিজে গিয়ে দেখতে না পারলেও বুঝতে তো পারছেন। তারওতো একটা কিছু হওয়া চাই। হতেওতো পারে! তার মূল্যায়নে চেষ্টার বিকল্প কিছু নাই। এই চেষ্টা এবং যুদ্ধের মাধ্যমেই তার বেঁচে থাকা! বেঁচেও আছেন আজ পর্যন্ত।

তাই তার চাওয়া এবং যাওয়ার যুক্তিকতা আছে। কাজ শেষে মধ্যদুপুরে বাড়ি ফিরছেন কফিল। ষাটোর্ধ বয়সের সচল ব্যক্তির আবয়ব তার। সংসারি ব্যক্তি! ধর্মকুড়া মোড়ে এসে নিজের চলার গতি সামলে নিলেন।

গতি সামলালেন মানে ব্যস্তপথে নিজের উপস্থিতির জানান দিলেন। মানুষের-পদচারণা, দোকান-গ্রেজ, রেস্টুরেন্ট এর টুং টাং শব্দ, রিক্সা গাড়ির হর্ণ ইত্যাদির গতি শুনে বুঝে নিলেন এখন সে চৌমোড়ে। এই চৌমেড়ের বিশেষত্ব হলো, সরাসরি একটি রাস্তা ধনুকাকৃতি বেঁকে এসে চৌরাস্তায় মিলেছে। মোড়ে রিক্সা-ভ্যানের মিয়মে-অনিয়মে জ্যাম জটলায় পৌঁছয় প্রতিনিয়ত। তাও আবার তিন রাস্তা সক্রিয়, এক রাস্তা অটো- রিকসা-ভ্যানের অত্যাচারে ক্লান্ত। কাছাকাছি দুইটি মোড়। লোকে বলে এইসকল পরিবহণ বেপরোয়া চলে। অনুমান থেকে সে এর বেশি কিছুই সঠিক বুঝতে পারেন না। পথের আন্দাজের সাথে নিজের হেঁটে আসা দূরত্ব বিবেচনায় সে এখন তার নিত্য পরিচিত ধর্মকুড়ার মোড়ের কাছে। শ্রবনান্দ্রিয়ে নিজের উপস্থিতির অনুমান পুনঃনিশ্চিত করে নিচ্ছেন।

পাড় হচ্ছেন নিজস্ব প্রতীকি কৌশলে! ডান হাতে ছড়িটি সামনে এগিয়ে দিয়ে বাম হাত মাথার ওপরের সমতলের চেয়ে এক বিগত তুলে হাঁটছেন। হাঁটছেন বলা উপযুক্ত অর্থে নয়! ইঙ্গিতবহ বার্তায় সামনে পা ফেলছেন। এগুচ্ছেন ধীর গতিতে। এই চলাকে বরং বলতে হবে রাস্তার বাম ঘেষে বিপদ অতিক্রম করছেন। পথের গতিশীল সাইকেল, রিক্সা এবং অটোসহ অন্যান্য মোটরযান তাকে বামে রেখে একে একে পার হয়ে গোলো।

আমিও রাস্তার রীতি অনুযায়ী পার হলাম। আমার নির্দিষ্ট গন্তব্যমুখি যাত্রা। ধীর গতিতে কাছারি মোড়টি পার হচ্ছিলাম। সামনে যেতেই মনে বার্তাচিহ্নটি পুনঃকল্পিত হলো। দৃষ্টি এড়িয়ে উপেক্ষা করার উপায় নেই। বিষয়টি ব্যস্ততায় আচ্ছন্ন অবস্থা থেকে একটু সচেতন চিন্তাশীল স্থানে টোকা দিলো মুহূর্তেই। সচেতম মন সক্রিয় হলো। সামনে কুড়ার কাছে উঁচু রাস্তার পাশে নিরাপদে দাঁড়ালাম। এই যায়গাটিও আর এক মিলন স্থান! কফিল উদ্দিনের চলার ধর্মের রীতি প্রদর্শিত হওয়া; আর পাশেই দুই প্রবাহিণীর যৌবনের স্বাক্ষর খরস্রোতের মিলন ”ক্কর- কুড় একই পয়েন্টে।

স্থানীয় দুই নদীর প্রবাহকৃতির সৃষ্ঠ নিদর্শন এই কুড়। বহুল প্রচলিত ও প্রতিষ্ঠিত ধর্মকুড়া এলাকা। অন্য অর্থে যাকে ঘোল কিংবা অঞ্চলভেদে চক্কও বলা হয়ে থাকে। জনশ্রুতি রয়েছে, গতিশীল জলের ধর্মে ঘুর্ণায়মান স্রোতে এই কুড়ের সৃষ্টি। যমুনা-ব্রহ্মপুত্রের খর স্রোতের ঘুর্ণায়মান চক্করে মাটি ক্ষয়ে গিয়ে দুই নদীর সংযোগ খালে পরিণত হয়েছে। বর্তমান স্থলসুবিধা প্রসারের আগে পর্যন্ত ব্যবসাবাণিজ্য- তথা সোনালী আঁশ পাট এবং হাটমুখি আখ, কৃষিজাতপণ্য, বিভিন্ন মালবাহী নৌকার গমনাগমন ছিলো এই ঘাটকেন্দ্রিক।

প্রবাহমান জলধারা আর স্থানীয় মতে কুড়কে কেন্দ্র করেই পার্শে¦ ধর্মকুড়া নামক স্থান এবং প্রাচীন হাট-বাজার। জনস্রুতিতে প্রাচীন ময়মনসিংহের অন্যতম পুরাতন হাট এটি। পাশের গ্রামেই ছিলো বিখ্যাত মৃৎশিল্প সামগ্রীর কারিগরগণ। পোড়ামাটির সামগ্রী ও পালপাড়ার মৃৎ-কারুকাজও ইসলামপুরের কাসারী পাড়ার চেয়ে ঐতির্যমানে কম হওয়ার নয়! আজ সময় এবং পারিপাশ্বিক প্রতিকূল প্রভাবে এই পেশার লোকজন মূল থেকে বিচ্ছিন্ন। ধর্মকুড়ায় এই হস্তশিল্প জনশ্রুতিতে সময়ের স্মৃতি মাত্র। কফিলের শিশুকাল কেটেছে গ্রাম্য বাজার আর কুড়ার নৌ-টলারের দৃশ্য দেখে।

আজকের চিত্রে ফকির কফিলউদ্দিনের কৈশোরও শুধুই স্মৃতি। অভাবের জীবনে সেগুলো আর স্মৃতিতে আসেনা! আমাদের চরাচরের গতিময় সময়ে আধুনিকতা এসেছে। যান্ত্রিক এই দিনে ফকির কফিলউদ্দিনরা পায়ে হেঁটে পথ চলে। কফিল আজ বিশেষ গুণ ও ধর্মাবলম্বী স¦ভাবে দিক্ষিত। পরিস্থিতির এই শিক্ষা ও শক্তির আলোয় তাকে চিনে নিতে হয় চলার পথ। নিজের অনুভূতি ও স্বীয় দিক্ষা শক্তির বিচারে বিচরণ করেন সে।

তাদের এই বিশেষ গুণটি জীবনের প্রয়োজনে ধাপে ধাপে রপ্ত করতে হয়েছে। জীবনের প্রতিটি ধাপ সূত্র মেনে পার হতে হয়। স্থান কাল বিচারে তাদের চলার ক্ষেত্র আলাদা বিট-লয় অনুসরণ করে। কথায় আছে, প্রয়োজন কোন নিয়ম মানে না। কিন্তু প্রয়োজনই তার উপযুক্ত পরিবেশ উপযুগী নিয়ম তৈরি করে নেয়। কফিলউদ্দিনের ক্ষেত্রেও এর ব্যত্যয় ঘটছেনা। এখানেই পথের সাথে পথিকের হৃদ্যতা! সময়ের সাথে গতির সমন্বয়।

এই চলায় সকাল, দুপুর, সন্ধ্যার অনুভূতি ভিন্ন মাত্রার -ক্ষণগুণে নিজস্ব নীতির সাথে নিয়মে চলন। কফিলউদ্দিনদের চলায় নীতির সাথে গতি সমন্বিত। সাধারণ অর্থে যেমন ‘গতিতেই জীবন; গতিহীনতায় মরণ’! মরণ বলতে আধুনিক উন্নয়নশীল গতির বিপরীতে পিছিয়ে পড়া অর্থে। এক্ষেত্রে ব্যক্তিটি পরাজিত সৈনিক হবেন বৈকি! স্রোতের বিপরীতে জীবন তরীতে ভেসে থাকার মত। এইটুকুতেই বিশ্লেষণী অর্থে মৃত্যুর প্রাসঙ্গিকতা। আজ ত্রিশ বছর পাড় হলো। কফিল দৃষ্টিহীন। যৌবনে পাঁচফুট লম্বা এক তাগড়া যুবক ছিলেন।

এক সুদর্শন দেহের অধিকারী সুপুরুষ! বসন্তের সাথে কী যেন জ্বরে ভুগে দুচেখের দৃষ্টি হারিয়েছেন। সঠিক কিছু জানা বা করার ছিলো না তার। এখন পরিচিত হলেন ভিন্ন নামে। বর্তমানে সামাজিক বিচারে গরিব থেকে অতিগরিবের কাতারে পৌঁছে গেছেন। এক কন্যা ঢাকার শহরে পোশাক শিল্পে কাজ করে। পোশাক শিল্পেও রাষ্ট্রঘোষিত বেতন কাঠামোয় সম্মানি পায়ন মেয়েটি। এতে তার বড় আক্ষেপ নাই; -তাদের ভাবনায় -জীবন এরকমই! তার মতে স্থানীয় ব্যবস্থায় চিকিৎসা শেষ। আলাপচারিতায় আমার মতে সে আবার দৃষ্টি ফেরত পাবার চেষ্টা করতে পারেন। দেশে অনেক কিছু হয়েছে। তার মত সমস্যার সমাধানও আছে! অর্থ এবং উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার অভাবে আজ সে দৃষ্টিহীন -অন্য গোত্রের প্রতীক! এখন তাঁর হাতে ছড়ি। হাঁটেন ভিন্ন রীতিতে। নিজের অজান্তেই হাতের সাদা ছড়িটি রাষ্ট্রের কাছে তাকে ভিন্ন পরিচয়ে তুলে ধরে। দেশের নির্ভরশীলদের দলে যোগ হয় আরও একটি সংখ্যা।

কর্মে কিংবা ধর্মে নয়; চলমান ব্যবস্থায় সে এক কৃপাগ্রাহী কথিত গোষ্ঠির প্রতীক! নির্দিষ্ট সীমার বাইরে সে অক্ষম। সৎজ্ঞানে সে নিজেকে আপরাধী মনে করেন না। প্রকৃত সহায়ের অভাবে সে অসহায়। কফিলউদ্দিনের নিজের চলায় শব্দ হয় না। অন্যের শব্দের বিশ্লেষেণে নিজেকে এগিয়ে নেন। স্থানবিশেষে ছড়ির টোকার শব্দ মূল্যায়ন করতে হয় তাকে। উৎসের শব্দ শুনে অনুমান করা অনুভূতি দুই দিকে কাজ করে।

প্রথমত নিজের পথ তথা রাস্তার অস্তিত্ব এবং ধরণ সম্পর্কে জেনে নেওয়া। দ্বিতীয়ত চার পাশের মানুষ এবং সম্ভাব্য অন্য প্রাণিকে নিজের আগমন বার্তার জানান দেওয়া। পথ যেমন পথিক তৈরি করতে পারে না, তেমনি আইনও তার মান্যকারী তৈরি করতে পারে না। সভ্যতার অগ্রগতিতে প্রয়োজনে পথিক তার উপকুক্ত পথ এবং পন্থা তৈরি করে। ব্যবহারকারী তৈরি এবং প্রয়োগ করে উপযুক্ত আইন। অন্তর্দৃষ্টির এই ব্যক্তিটিকেও জীবনের চাহিদামত রীতি ও নীতি তৈরি করে নিতে হয়েছে। চলতে হচ্ছে শতভাগ নিজের তৈরি করা আইন মেনে! কফিলরা সমস্যা সমাধানে প্রচলিত এবং বিশেষ চাহিদাভিত্তিক রীতি অবলম্বন করতে বাধ্য।

তাদের নিরাপত্তার জন্য নিজেদের উপলব্দি থেকে সৃষ্ঠ রীতি ব্যবহার করে নিজের নিরাপত্তা বিধানের চেষ্টা চলে মাত্র। এতে দৈহিক ন্যুনতম নিরাপত্তা হলেও মানসিক ও আর্থিক সমর্থন থাকে না। বাকি অংশের জন্য পরিবার সমাজ কিংবা সভ্যসমাজের বদৌলতে রাষ্ট্রের উপযোগ্যতার প্রয়োজন হয়। সঙ্গ ও সঙ্গি দুটুই অর্থবহ প্রসঙ্গ। প্রাণি পরিবেশগত ভারসাম্য -তথা অভিযোজনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। পরিবেশগত বৈশিষ্ট্য এবং ভূমি জলবাযু জীবের জৈবিক বিকাশে প্রভাব ফেলে। প্রভাবটি যতটুকু ঘ্রাণ, শব্দ ইন্দ্রিয় অনুভূতিতে কাজ করে, ততটুকুই ফলপ্রসূহয়।

এই ক্ষেত্রে কফিলউদ্দিনর ছড়ির টোকার বিট অনুমান ও মূল্যায়ন করে বুঝতে হয়, কোনটি গমনযোগ্য মাধ্যম; কোনটি নয়। কাঁদা, উচুঁ, ঢালু, মাটি -পানি, ড্রেন-জঙ্গল কিংবা গর্তটিলা সবই তার জন্য অনুধাবন স্পর্শক বিষয়। কিন্তু এই সীমায় তারা অভিজ্ঞতার বিচারবুদ্ধিতে সুদক্ষ। সঙ্গের সঙ্গি ছড়িটির ব্যপ্তি সীমায় নিয়ন্ত্রীত। বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক বিষয় বিচার করে যারা শিশু, মধ্যবয়সী কিংবা জীবনের কোন ধাপের প্রাসঙ্গিক কোন এক মুহূর্তের অনুরূপ বিচার ক্ষমতার দায়িত্ব নেন, তাদের তুলনায় ইন্দ্রিয়শক্তির এই বিচারবোধ শ্রেষ্ঠ। এখানে বিবেকের ডান বামের স্থান দ্বিতীয়টির উদাহরণ নাই। বাতুলতা সামাজিক ব্যাধি- তাদের সৃষ্ট নয়। ক্ষেত্রবিশেষে তারা পরিবেশের শিকার। যে শিক্ষায় জীবন বাঁচে, সেখানে নীতির বিক্রি কিংবা বদল কোন আদর্শে? কফিলের ভাষায় ‘এই শক্তি উপলব্দি, বিশ্লেষণ এবং প্রয়োগের যোগ্যতা রাখে।’ জৈব প্রকৃতি, জীনগত অপূর্ণতা, পরিবেশের প্রতিক্রিয়া এবং হরমোন জীনের গঠনগত অপূর্ণতা দেহের গঠর শৈলির বাধাসূত্র। লোকজ ধারণা তথা বিভিন্ন মিথও বাধার একাংশ কারণ।

জীবনের জন্য অগ্রগতি সমৃদ্ধি- শৃঙ্খলার জন্য রীতি কিংবা আইন সিদ্ধ। সৃষ্টি এবং সভ্যতাকে রক্ষা করে অগ্রগতির জন্য নীতির প্রতিষ্ঠা। এই নীতির সৃষ্টি এবং প্রয়োগে ব্যত্যয় ঘটলে সৃষ্টি, সম্প্রদায় এবং সমাজের প্রগতি বিঘিœত হয়। অগ্রগতি খুঁড়িয়ে চলে। বিচারের রায়ে বিবেক লুকিয়ে কাঁদে। ঘটনার পরমপরা এই অভাববোধই সৃষ্টি-সভ্যতার সুতিকাগার। কফিলের এতদিন বেঁচে থাকার ভিত্তিটিও এই বিচারক্ষমতা! ইন্দ্রিয়ের অনুভূতি জীবনের পথ দেখায়। পর্যবেক্ষণ এবং অভিজ্ঞতা থেকে অর্জিত বিচারবোধ রক্ষা করতে পারে প্রাণশক্তিকে।

ভূমিষ্ঠ শিশু অপ্রস্ফুটিত চোখে এবং ঘ্রাণানুভূতিতে প্রকাশ্যে ইন্দ্রিয়ের সাহায্য পায়। শরীরের ঘ্রাণে মাকে চিনে নিয়ে নিরাপদ বোধকরে। এর মাধ্যমেই স্রাযুবিক আদান প্রদান নিশ্চিত হয়। কফিলউদ্দিনের চলা এবং জীবনধর্মী কর্মে ও পারিপাশ্বিকতায় অনুভূতিক্রিয়ার প্রতিফলন মাত্র। বাহ্য সামাজিক রীতিতে স্বেচ্চাচারিতায় জীবনিশক্তি পিছিয়ে পড়ে। সাদা ছড়ি তার নৈতিক সঙ্গের প্রতীক। শুভ অর্থে ব্যবহৃত হলে সেই শিক্ষা সুস্থ বিবেককে চালিত করবে এইটুকুই কাম্য! কফিলের জন্য এই রীতি শিরোধার্য; ব্যত্যয়ে মৃত্যু। এই কর্মের বিচারে সে শ্রেষ্ঠ কর্মী। খাদ্য, পুষ্টি, পরিবেশের প্রভাব এবং শিক্ষা জীবের জীবনকালকে স্থায়িত্ব দেয়। সৃষ্টির মাহাত্বে এই জীবনবোধ শিখনব্যক্তি, সম্প্রদায় এবং জোষ্ঠি কিংবা রাষ্ট্র অগ্রগতির স্থায়িত্বে এগিয়ে থাকে। সৃজনে মহৎ স্রষ্টারা আজও ধন্য হয়ে আছেন। কফিলউদ্দিনরা সৃষ্টির প্রতীক।

আপনা থেকে বিকশিত উদ্যোগ- সভ্যতার উপাঙ্গ। শিখাবিহীন আলোয় আলোকিত সত্ত্বা। 


সাবস্ক্রাইব করুন! মেইল দ্বারা নিউজ আপডেট পান