কবি আরিফুল ইসলাম এর তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ প্রি-অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন
সঞ্জীব চৌধুরীর জন্মদিনে ‘৭ম সঞ্জীব উৎসব’
$post->title

২০১১ সাল থেকে প্রতিবছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সঞ্জীব চত্বরে সঞ্জীব উৎসব উদ্‌যাপন পর্ষদ আয়োজন করছে এ উৎসব। ৭ম বারের মতো আয়োজিত এ উৎসবে অংশ নেবেন সঞ্জীব অনুরাগী কিছু ব্যান্ড ও সংগীতশিল্পীরা।

এবার উৎসবে গান করবেন জয় শাহরিয়ার, বে অফ বেঙ্গল, শহরতলী, প্রিয়, গানকবি, অর্জন, দুর্গ, সিনা হাসান অ্যান্ড বাংলা ফাইভ, সুহৃদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কালচারাল সোসাইটিসহ অনেকে।

সঞ্জীব উৎসবের অন্যতম আয়োজক সংগীতশিল্পী জয় শাহরিয়ার বলেন, “ব্যক্তিগতভাবে একজন গীতিকার হিসেবে আমি নিজেকে সঞ্জীব স্কুলের ছাত্র মনে করি। আমি দাদার ভক্ত। আমি লাকি আমি দাদাকে সরাসরি পেয়েছি। সঞ্জীব উৎসব দাদাকে ভালোবেসেই করা।”

“উৎসবের মূল উদ্দেশ্য যারা দাদাকে কাছে পায়নি, তাদের কাছে দাদার গান ও গানের দর্শন পৌঁছে দেয়া। আর তাদের গানের মাঝে দাদার আদর্শকে বাঁচিয়ে রাখা। জাস্ট একটা রিলে রেসের মতো। প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম এই গানের ধারা এগিয়ে যাক। যে ধারায় সঞ্জীব চৌধুরী আমাদের বটবৃক্ষ হয়ে আছেন।”

এ আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক সংসদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ব্যান্ড সোসাইটি এবং আজব কারখানা। উৎসব শুরু হবে বিকেল চারটায়, চলবে রাত আটটা পর্যন্ত।

আমি তোমাকেই বলে দেবো, সাদা ময়লা, সমুদ্র সন্তান, জোছনা বিহার, তোমার ভাঁজ খোলো আনন্দ দেখাও, আমাকে অন্ধ করে দিয়েছিল চাঁদ, স্বপ্নবাজি প্রভৃতি কালজয়ী গানের সাথে জড়িয়ে আছে সঞ্জীব চৌধুরীর নাম।

গাড়ি চলেনা, বায়োস্কোপ, কোন মিস্তরি নাও বানাইছে গানগুলো গেয়ে বাংলা লোকগানকে তিনি নাগরিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত করেছেন।

তিনি ছিলেন জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘দলছুট’-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। দলছুটের চারটি অ্যালবামে কাজ করার পাশাপাশি অনেক গান রচনা ও সুর দিয়েছেন তিনি।

১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার মাকাল কান্দি গ্রামে জন্ম নেন এই শিল্পী । ২০০৭ সালের ১৯ নভেম্বর বাই লেটারেল সেরিব্রাল স্কিমিক স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তার অকাল প্রয়াণ ছিলো বাংলাদেশের সংগীত ও সাংবাদিকতার জগতে অপূরণীয় ক্ষতি।


সাবস্ক্রাইব করুন! মেইল দ্বারা নিউজ আপডেট পান