কবি আরিফুল ইসলাম এর তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ প্রি-অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন
বাস্তব-পরাবাস্তব ও চিত্রকল্পের বুনুন : কবি এ কে এম আব্দুল্লাহ’র -‘ইমেইল বডিতে সময়ের অনুবাদ’
$post->title

গ্রন্থের প্রচ্ছদসহ কবি


কবিতা  অনেক দূর এগিয়েছেকবিতা বিজ্ঞানের হাত ধরে উড়ে গেছে মঙ্গলগ্রহেরকেটে চড়ে যাচ্ছে চাঁদেবিমানে উড়ছে দেশ থেকে দেশান্তরেকবিতা এখন বিভেদ করে না তারিখ সাল নিয়েকবিতা বৃত্তহীন বেদনার পে-ুলামবিজ্ঞানের মসৃণ ছায়াপথকবিতা স্বীকার করে হায়রে কবে কেটে গেছে কালিদাসের কালমধুসূদন, রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, ফররুখ, জসীম উদদীন সবাই অমরতাঁদের কবিতাও অমরতাঁরা যুগের প্রমিথিউজযুগ-নির্মাণ সাহিত্য-সৌরভচুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা - সেই অন্ধকার ভেদ করে কবিতা এখন বনলতাসেনের খোঁপায় দিচ্ছে ফুল- লম্বা বেণী করে হাওয়ায় উদ্দাম ঝড়বুনোবট দাঁড়িয়ে যায় কবিতা শুনতেকিন্তু মানুষ! যিনি পাঠ করবেন কবিতার সৌকর্য- উচ্চারণ করবেন- কবিতার মাধূর্যবিকশিত করবেন চঞ্চল মনের আবেগধেণুযিনি কবিকে আবিষ্কার করবেন তাঁর সৃজনশীল কবিতা-গুহা থেকেরহস্য ভেদ করে যিনি স্বাভাবিক বর্ণনে সুবাসিত করবেন কবিতার আতর-আগরের বর্ণাঢ্য বাগানেসেই মানুষ- সেই পাঠক- কবিতা থেকে যোজন- যোজন দূরত্বে বাস করেনযিনি আঙ্গুর খেতে খেতে দ্রাক্ষারসে বিমোহিত হবেন- তাকে কবিতা এখন আর নেশায় চূর্ণ করে নাস্কুলে পড়য়া কোন মেয়ে কিংবা কলেজে পড়য়া কোন ছেলে পাঠ্য পুস্তকের আড়ালে লুকিয়ে লুকিয়ে কবিতার বই পড়ে না- তাদের হাতে থাকে মোবাইল- তাদের অজুহাত গুগোলওদের পাঠ্য এখন গুগোলওরা খোঁজে মোটিভেশনভিডিও বক্তব্যে ওদের আস্থাতাই আমরা কোন চিন্তক পাচ্ছি নাধ্যানী পাঠকের সন্ধানে কবিরা এখন আল্লাহ আল্লাহ জপেনএতে স্পষ্ট হলো- লেখক আর পাঠকের সম্পর্ক মোটেই নিকটবর্তী নয়দুজন দুমেরুর বাসিন্দাতাই এখন সময়ের দাবি- লেখক পাঠকের মনঃবৈষম্য দূর করে চিন্তার ঐক্য প্রতিষ্ঠা করাপ্রশ্ন হলো- তা কী করে সম্ভব? এ প্রশ্নের উত্তর এতো সহজ নয়ক্রমান্বয়ে খুঁজে বের করতে হবেহাতে সময় নেইযুগ ফুরিয়ে যাচ্ছেপাঠক হারিয়ে যাচ্ছেকবিতার পাঠকতাদের ফেরানকীভাবে ফেরাবেন সিদ্ধান্ত আপনার অর্থাৎ কবিদেরসুখ-পাঠ্য কবিতা রচনা করেই- কাব্যানন্দ দানের মাধ্যমে ফেরাতে হবেসেই কবিতা রচনায় ফিরে আসুন অথবা সহজ-ব্যঞ্জনায় বিমুগ্ধ কবিতা চাইরচনাশৈলী ঋজু, সহজবোধ্য কবিতার ভাষা চাইহৃদয়ঙ্গম অনুভূতি চাই- আত্মার বিনোদন চাইসেই চাওয়া সত্য হলে হয়তো পাঠক খুশি হবে

 

 

ইমেইল বডিতে সময়ের অনুবাদ”- একটি কবিতাগ্রন্থকবি এ কে এম আব্দুল্লাহইমেইল বডিতে লেখা হয়েছে আধুনিক- আয়োজনে সময়ের সংবাদসিঁড়ি, কাগজের ফুল, লোডশেডিং, আয়না, পোড়া, মাইলফলক জীবন, বিগত জন্মস্ট্যাটাস- কবিতাগুলো ব্যতীত অবশিষ্ট সমূহ কবিতা মুক্তছন্দের গাদ্যিক আঙ্গিকে রচিতগদ্য-কবিতার অনিবার্য প্রবাহ রক্ষা করে কবি লিখেছেন তাঁর কবিতাগুলোছন্দোবন্ধ কবিতা কবি আব্দুল্লাহ লিখতে পেরেছেন এর প্রমাণ আমরা পূর্ব-প্রকাশিত গ্রন্থে পেয়েছিতাঁর সনেট কবিতাও লিখেছেনতাই সহজে অনুমেয় কবির ছন্দজ্ঞান সম্পর্কেগদ্য-কবিতা কেবল গদ্য নয়; এখানেও আছে ছন্দের খেলারবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিপিকাগ্রন্থে গদ্য-কবিতার ব্যবহার করেছেনপায়ে চলার পথ, মেঘলা দিনে, বাণী, মেঘদূত, বাঁশি, ইত্যাদি কবিতা পাঠ করলে গদ্য-কবিতার মধুরতা পাওয়া যায়সেই মধুরতা-ইমেইল বডিতে সময়ের অনুবাদগ্রন্থে আসুন প্রবেশ করিআমার ভেতর পরাবাস্তবতা প্রখর হয়ে ওঠে’- এটি এ কে এম আব্দুল্লাহর পেনড্রাইভ ও একটি কবিতার চরণমাত্রকবি এ গ্রন্থের প্রথম কবিতার পরাবাস্তবতার ইঙ্গিত দিয়েছেনঅ্যাপেলেনিয়র ও মালার্মে প্রমুখ কবিরা পরাবাস্তব কবিতার সৃষ্টি করেছেনবাংলা সাহিত্যে জীবনানন্দ দাশ, শামসুর রাহমান ও আবদুল মান্নান সৈয়দের পরাবাস্তব কবিতার প্রতীকএক্ষেত্রে আবদুল মান্নান সৈয়দের জন্মান্ধ কবিতাগুচ্ছ, মাছ সিরিজ এবং পরাবাস্তব কবিতাইত্যাদি গ্রন্থে পরাবাস্তবতার প্রকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারেকবি এ কে এম আব্দুল্লাহ র কবিতার সংজ্ঞায় প্রতিস্থাপন করলে বিজ্ঞান পরাবাস্তব কবিতা বলা যেতে পারেবিজ্ঞানের যাবতীয় কলকবজাগুলো তিনি কবিতার শব্দের অনুষঙ্গ হিসেবে এনেছেনএই শব্দগুলো একান্ত বৈজ্ঞানিকসেই শব্দগুলো বাংলা কবিতায় পূর্বে এলেও এতো ব্যাপকভাবে আসেনিতাই এগুলো কে আমি বিজ্ঞান-পরাবাস্তব কবিতা বলতে চাইআমার চোখে ডাউনলোড হতে থাকে কমলাপুর রেলস্টেশনরাতজাগা যাত্রির মতো লাল চোখে দেখি সিঁড়িতে শুয়ে থাকা মানুষের দৃশ্যচোখের ভেতরে ডাউনলোড হয় কমলাপুর- প্রবাস জীবনে থাকা একটা মানবচিত্তের স্মৃতিকাতরতা এভাবে শব্দচিত্রের মাধ্যমে কবির মানসপটে ধরা পড়েভাবনার সেই দৃশ্য ওঠে আসে কবিতায়ফ্লেভারাইজড অন্ধকারকবিতায় একই ফ্লেভার পাওয়া যায়মেঘের কোন এক সন্ধ্যা শেষে পৃথিবীটা ঢুকে গেলো আমার ভেতর; আমি চিৎকার দিতে থাকিআর বাবার পকেটে থেকে লাফিয়ে লাফিয়ে পড়তে থাকে আনন্দচোখ বেয়ে বেয়ে ঝরতে থাকে এক একটি গ্রামআমার দেহে চোখে লেপটে থাকে গ্রামীণ কাদাআমি আধবুজা চোখের ফাঁকে দেখতে থাকি খুলির ভেতর মায়ের পুনর্জন্মের ব্যাকুল দৃশ্য’ ‘ মায়ের পুনর্জন্মের ব্যাকুল দৃশ্য দেখা সাধারণ দৃষ্টিতে অসম্ভবকবি এই অসম্ভবকে সম্ভব করতে পেরেছেন বলে কবিতার শরীরে পরাবাস্তববাদকবিতার আঙ্গিক সুস্পষ্ট

 

ফাইভস্টার হোটেলসেখানে এক্সিবিশন হয়মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিগুলো স্পন্সর করতে আসেহাইপ্রোফাইল মানুষেরা বক্তা হয়তাদের মুখ থেকে বেরিয়ে আসে অ্যালকোহল ফ্রি ভাষণ... আমরা সেই ভাষণে রিলিফের প্যাকেটের মতো বুকে জড়িয়ে ধরে হাঁটিআমাদের দেহ থেকে পা খুলে যায়চোখ থেকে গড়িয়ে গড়িয়ে পড়ে জলআমাদের পাঁজর গেঁথে থাকে শূন্য ক্যানভাসে’- আঁধারে রঙিন ফ্লেক্সিলোড’- কবিতায় এভাবে কবি ওদের আচার-ব্যবহারে, উচ্চবিত্ত বহুজাতিক রকমারি কোম্পানির এক্সপোর্ট-ইম্পোর্ট করা জীবনের কাব্যিক অথচ গদ্য-জীবনের রহস্য উন্মোচন করেছেনআমাদের  অসহায়ত্বকে পুঁজি করে আমাদের দেহ ছিন্নভিন্ন করে সন্ধ্যা শেষে আমাদের ইমেজ এক্সপোর্ট হয়ে যায় পিডিএফ ফাইলেকবি এ কে এম আব্দুল্লাহ অত্যন্ত সুচিন্তিত ভাবনায়, সুকৌশলে উচ্চবিত্তের বাহারি জীবনকে মধ্যবিত্ত- ক্যানভাসে প্রবেশ করিয়ে নতুন ভাবনার- নতুন জাগৃতির আবহ সৃষ্টি করতে পেরেছেন

 

কবি এ কে এম আব্দুল্লাহ কবিতার বিষয়বস্তু নির্বাচনের ক্ষেত্রে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বণ করেছেনপ্রেম-প্রায়োগিক পংক্তিমালায় শব্দ-সংযোজিত না করে বিশ্ব-অস্তিরতার- স্যাটেলাইট দৃশ্য নির্মাণ করেছেনএকধরনের আধুনিক সভ্যতার প্লাস্টার লাগিয়ে কবিতাকে রাঙানোর চেষ্টা করেছেনআধুনিক জীবনের যুগ-যন্ত্রনাকে কবিতার অবলম্বণ করেছেন                                                                                                            জন্ম এবং মোহের বিকল্প মমতা’ – কবিতায় কবি বলছেন- গলাকেটে আমাদের হত্যা করা হলে বিজ্ঞাপনিসংস্থাগুলো  বিজি হয়ে ওঠেহকারের কণ্ঠ বেয়ে বেয়ে নামে হেডলাইনগুলোইলেকট্রিক পাড়াগুলো চমকায় জোনাকপোকার মতোকেউ কেউ আমাদের মোহে দাঁড়িয়ে থাকে মানববন্ধন নামে গাছতলায়’- ‘আমাদের হত্যা করা হলে-হত্যা হচ্ছেমানব জাতি সারাবিশ্বে মার খাচ্ছেসবদেশে মৃত্যুর মহড়া চলছেকবি বলছেন -বিশ্ববাজারে মৃত্যুর হাট বসেসেই মৃত্যুর সংবাদে আমরা ইমোশনাল হইফেস্টুন হাতে মানবতার গান গাইতারপর অনেক ঘটনাসেলুলার ফিতার মতো চলতে থাকে রুটিনওয়ার্কটকশো, সভা-সমাবেশ, মিছিল, রাবার বুলেট, জল-কামান, ইত্যাদি প্রিন্ট হতে থাকে ভিন্ন ভিন্ন রঙেএরপর নিশি শেষে চ্যাপ্টার ক্লোজ হয়ে গেলে আবার সব নরমাল হয়ে যায়আর আমাদের কানে ভেসে আসে ফের ... আহারে শাকিলা বানু- হিট হগায়ি... ( আয়না দর্শন ও ব্লাকপ্রতিবিম্ব)

 

ইমেইল বডিতে সময়ের অনুবাদগ্রন্থে কবি তার প্রতিটি কবিতায় অজস্র ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করেছেনঅনেক শব্দ পাঠবোধ্য না হওয়ায় সহজবোধ্য পাঠকের অন্তরে প্রশ্ন থেকে যেতে পারেবিদেশি শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে লেখককে যথেষ্ট পরিমিত ভাবনা নিয়ে শব্দ-সংযোগ করা জরুরিকাজী নজরুল ইসলাম আরবি ফারসি হিন্দি উর্দু ইত্যাদি ভাষার শব্দ ব্যবহার করেছেন সত্যি কিন্তু এই ভাষাগুলো ভৌগলিক অবস্থানের কারণে বাংলাভাষার সফরসঙ্গীতাছাড়া সেই সব ভাষার শব্দগুলো কাজী নজরুলের উত্তরসূরী কবিগণ খুব বেশি করেছেন বলে হয় নাএতে বোঝা যায় বিদেশি শব্দের আশ্রয়ে কাব্যচর্চা অনুকরণীয় কোন দৃষ্টান্ত নয়তবে এটা কবির একান্ত স্বাধীনতাহয়তো কবি এ কে এম আব্দুল্লাহ নিরীক্ষার জন্য পাঠকের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েছেন তা যদি হয় তাহলে আমি মনে করি, কবি অত্যন্ত সাহসের মধ্য দিয়ে কাব্যিক ঝুঁকি নিয়েছেনতিনি কতটুকু সার্থক হবেন অনাগত ভবিষ্যতে তা বিচার্য হবে

 

ইমেইল বডিতে সময়ের অনুবাদ’- বাহাত্তর পৃষ্ঠার বইএখানে অনেক কবিতার সংমিশ্রণকবিতাগুলো সাম্প্রতিক কালেরতাই সময়ের অনুবাদ শিরোনামীয় শব্দদ্বয় খুবই মাননসইসেইক্ষেত্রে নামকরণ সার্থক হয়েছে বলে মনে করিপ্রবাসে যাপিত জীবনের দ্যোতি সেইভাবে না আসলেও কবির আত্মকেন্দ্রীক ভাবনা থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পারেননিসেই কাব্যিক বুননে উত্তম পুরুষের একবচন ব্যবহার না করে বহুবচনের ব্যবহার লক্ষণীয়আমাদের চোখগুলো মানববন্ধন করেযুগের পর যুগ দাঁড়িয়ে থাকে রাস্তার ধারেআমাদের আর্তনাদ খুন করে সবগুলো বর্ডার ক্রস করে এগিয়ে যায় উন্নয়ন’ (পিডিএফ ফাইলে, জীবনের জলছাপ)

 

কবি আব্দুল্লাহ এ গ্রন্থে উপমা ব্যবহারে যথেষ্ট মনোযোগী ছিলেনতাই উপমাগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে এসেছেতিনি প্রায় কবিতায় উপমার সুন্দর ব্যবহার করেছেনএতে কবিতাকে দিতে পেরেছেন আশ্চর্য কান্তিএকটি নিজস্ব গল্প এবং অন্যান্য’ - কবিতায় উপমা হিসেবে এসেছে- আমরা রাস্তা ভুল করা পথিকের মতো টলতে টলতে ওঠে পড়ি কাঠের চাকায়... অথবা আমি ও প্রতি-জন্মকবিতায় মধ্যবিত্ত বণিকের মতো অভিলাষী বিষ ঢেলে দেই রাতের রাস্তায়

 

কবি এ কে এম আব্দুল্লাহর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তিনি এ গ্রন্থে চিত্রকল্পের ব্যবহার করেছেনসাবলিল চাকচিক্যে দৃশ্যগুলো উজ্জ্বল হয়ে উঠেছেকবিতার আকর্ষণকে চোখের সামনে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেনপ্রায় প্রতিটি কবিতায় সুন্দর সুচারু রূপচিত্র প্রকাশ পেয়েছেকবি যখন বলেন, মেঘের কোন এক সন্ধ্যা শেষে, পুরো পৃথিবী একটা সাহারা মনে হয়, আমার জন্মগুলো অন্ধকার শোরুমে ডিসপ্লে হতে থাকে জ্যোৎ¯œার ভেতর অথবা হেলান দেয়া সব সিনারি ক্লান্ত হয়ে ঝুলে গেলে, অথবা আমাদের শহরে নিরীহ রাস্তায় পড়ে থাকে উচ্ছিষ্টমাখা কনডম, অথবা আকাশে মেঘের ভেতর আগুন জ্বলে উঠলে আমাদের চুলায় ক্ষুধা সেদ্ধ হয়, অথবা জামরুল বাগান মাড়িয়ে দাঁড়াই মাঠের শেষপ্রান্তে, অথবা কারেন্টের তারে বসা পাখি ইত্যাদি ছাড়াও আরও অনেক উদাহরণ দেওয়া যাবেএভাবে তিনি চিত্রকল্পকে পুঁজি করে কবিতার শরীর সাজিয়েছেনঅপরদিকে কবিতার শিরোনামের ক্ষেত্রে অনেক ভালো লাগার মতো কবিতার নামকরণ করেছেনপেনড্রাইভ ও একটি কবিতা, আঁধারে রঙিন ফ্লেক্সিলোড, একটি প্রার্থনার অনুবাদ, রাতের পরাগায়ন, অন্ধকার আগুন, আমার দুঃখ ওড়ে শহরে শহরে, আমি ও প্রতি-জন্ম, সংকেত ও অরণ্য, কালের জলে ভাসমান চোখ ইত্যাদি শিরোনামগুলো ভালো লেগেছে

 

ইমেইল বডিতে সময়ের অনুবাদ’- একটি চমৎকার কবিতাগ্রন্থকবি এ কে এম আব্দুল্লাহ একজন উত্তীর্ণ কবিজীবনের ছায়ালাপে কবি প্রজন্মান্তরে প্রবেশিত হোক কালে কালেআজীবন কবিতাপ্রেমিক হিসেবে এই কবির আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকুককবিতার মুগ্ধতা ছড়িয়ে পড়ুক- পাঠকের হৃদয়-সাগরে

       মামুন সুলতান

লেখক: কবি ও প্রকাশক



সাবস্ক্রাইব করুন! মেইল দ্বারা নিউজ আপডেট পান